04:38:13 am
Sunday, June 21

নিয়োগ স্থগিত, ঢাবির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে ৪২ কর্মচারীর অবস্থান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) মৌখিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ৪২ কর্মচারীর নিয়োগ স্থগিত করার সিদ্ধান্তকে ‘অমানবিক’ দাবি করে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন ওই কর্মচারীরা। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন তারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) মৌখিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ৪২ কর্মচারীর নিয়োগ স্থগিত করার সিদ্ধান্তকে ‘অমানবিক’ দাবি করে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন ওই কর্মচারীরা। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন তারা। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. বাহলুল হক চৌধুরী তাদের নিয়োগ দিয়েছিলেন।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি না মেনে বেশ কয়েক বছর আগে অধিভুক্ত কলেজগুলোর কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ৫৩ জনকে মৌখিকভাবে নিয়োগ দেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বাহলুল হক। পরে এদের মধ্যে ১১ জনের নিয়োগ স্থায়ী করা হয় বলে দাবি করেছেন কর্মচারীরা। বাকিরাও তাদের নিয়োগ স্থায়ী করা হবে এ আশায় স্বল্প বেতনে এতদিন কাজ করে আসছিলেন। তবে হঠাৎ করে তাদের কাজে না আসতে বলার সিদ্ধান্তে তারা হতাশ।

আন্দোলনরত মৌখিক নিয়োগপ্রাপ্ত একজন কর্মচারী মো. সুমন মিয়া। তিনি বলেন, আমরা মৌখিকভাবে ৫৩ জন নিয়োগ পেয়েছিলাম। গত পাঁচ বছর যাবত বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করে যাচ্ছি। এর মধ্যে ১১ জনের নিয়োগ স্থায়ী হয়েছে, আমাদেরও প্রত্যাশা ছিল নিয়োগ স্থায়ী হবে। মঙ্গলবার অফিস শেষে জানানো হয়, আমাদের দায়িত্ব হস্তান্তর করতে। এখন আমরা কোথায় যাব? এখন আমাদের অন্য কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। আমরা এ সিদ্ধান্ত মানি না।

কর্মচারীদের অবস্থানের বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, বিষয়টি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দেখছেন। এদিকে নিয়মিত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বাহলুল হক অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানিয়েছেন তার পরিবার থেকে জানানো হয়। বাহালুল হকের পরিবর্তে তার ‘অনুপস্থিতিতে’ উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ছানাউল্লাহকে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব প্রদান করে কর্তৃপক্ষ। এর পর আজ মৌখিকভাবে নিয়োগপ্রাপ্তদের নিয়োগ স্থগিত করা হয়।

এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. ছানাউল্লাহ বলেন, আমাদের কন্ট্রোলার স্যার (বাহালুল) মৌখিকভাবে তাদের নিয়োগ দিয়েছিলেন বিভিন্ন কাজে সহযোগিতার জন্য। আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর তাদের বলছি, আপনাদের আপাতত কাজ করা লাগবে না, নিয়মমাফিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যখন নিয়োগের কাজ শুরু হবে তখন আপনাদের বিষয়টি বিবেচনায় রাখব।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, আমাদের জনবল লাগলে সেটি নিয়মের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। অননুমোদিতভাবে কিছু করা যাবে না। আমাদের লোকবলের চাহিদা আছে, তবে সেটি যথাযথভাবে দেখেশুনে নিয়মনীতি মেনে করতে হবে। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।