07:42:41 pm
Sunday, June 21

ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনায় হামলা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প হেরে যাওয়ার পর ক্যাপিটলে হামলা চালিয়েছিল তার সমর্থকরা। ট্রাম্পের বন্ধু বলে খ্যাত ব্রাজিলের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বলসোনারোর সমর্থকরা কার্যত একই ঘটনা ঘটালো রাজধানী ব্রাসিলিয়ায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প হেরে যাওয়ার পর ক্যাপিটলে হামলা চালিয়েছিল তার সমর্থকরা। ট্রাম্পের বন্ধু বলে খ্যাত ব্রাজিলের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বলসোনারোর সমর্থকরা কার্যত একই ঘটনা ঘটালো রাজধানী ব্রাসিলিয়ায়। রোববার (৮ জানুয়ারি) সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি ভবনসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ভবনে হামলা চালালেন সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানের সমর্থকেরা। এ সময় ঘিরে ফেলা হয় ব্রাজিলের কংগ্রেস ও সুপ্রিম কোর্টও।  

সোমবার (৯ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতার ভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর কট্টর দক্ষিণপন্থি বোলসোনারোকে হারিয়ে ব্রাজিলে ক্ষমতায় আসেন বামপন্থি লুইজ ইনাসিও লুলা ডা সিলভা। দেশের প্রশাসনিক কাঠামোয় এই হামালার জন্য তিনি আগের প্রেসিডেন্টকেই দায়ী করেছেন। রাজধানী ব্রাসিলিয়ার নিরাপত্তা বিষয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন লুলা। তবে রোববার (৮ জানুয়ারি) ব্রাসিলিয়ায় যখন এই হামলা হয় তখন লুলা সেখানে ছিলেন না। রাজধানী থেকে দূরে কর্মসূত্রেই সাও পাওলো গিয়েছিলেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে, হাজার হাজার বিক্ষোভকারী ব্রাজিলের হলুদ, সবুজ পতাকা নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে এগোচ্ছেন। কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে তারা ঢুকে যাচ্ছেন ভবনের ভেতর। ব্যাপক মানুষ জড়ো হয়েছেন রাষ্ট্রপতি ভবনের ছাদে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি বোলোসোনারো এখন পর্যন্ত নিজের হার স্বীকার করেননি। বরং গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আয়োজিত নির্বাচনে পরাজয়কে তিনি ভোট গণনায় কারচুপি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। যদিও অক্টোবরে পরাজয়ের পরেই দেশ ছেড়েছেন বোলসোনারো। তিনি বর্তমানে ফ্লোরিডায় থাকেন, যেখানে রয়েছেন ট্রাম্পও।

অক্টোবরে নির্বাচনের পর থেকেই বোলসোনারোর সমর্থক ও অনুগামীরা দেশের নানা প্রান্তে তাণ্ডব চালাচ্ছেন। এদিন তা চরম আকার ধারণ করলো।