01:45:57 am
Sunday, June 21
ছাত্রী নির্যাতন

পড়া না পারায় ছাত্রী নির্যাতন, পালিয়েছে শিক্ষক

সাদিয়ার অপরাধ ক্লাসে পড়া পারেনি। তাই শিক্ষক শরীরে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন চালিয়েছে। এতে সাদিয়ার শরীরের পেছনের অংশ ও হাত পুড়ে গেছে। এ অবস্থায় শিক্ষকরা সাদিয়াকে একটি রুমে আটকে শিক্ষকরা পালিয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ধামরাইয়ের ডাউটিয়া গোয়ালদী কাশিপুর হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানায়। সাদিয়া ওই মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। আজ ভোরে খবর পেয়ে তার বাবা শরিফুল ইসলাম সাদিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে...

সাদিয়ার অপরাধ ক্লাসে পড়া পারেনি। তাই শিক্ষক শরীরে গরম পানি ঢেলে নির্যাতন চালিয়েছে। এতে সাদিয়ার শরীরের পেছনের অংশ ও হাত পুড়ে গেছে।

এ অবস্থায় শিক্ষকরা সাদিয়াকে একটি রুমে আটকে শিক্ষকরা পালিয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ধামরাইয়ের ডাউটিয়া গোয়ালদী কাশিপুর হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানায়। সাদিয়া ওই মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

আজ ভোরে খবর পেয়ে তার বাবা শরিফুল ইসলাম সাদিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ধামরাইয়ের সোমভাগ ইউনিয়নে ডাউটিয়া গ্রামে ডাউটিয়া কাশিপুর গোয়ালদী হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানয় প্রায় ২ শতাধিক ছাত্রছাত্রী লেখাপড়া করে। সোমবার সাদিয়া ক্লাসে পড়া না পারায় তাকে মাদরাসার ভেতর গরম করা পানিতে ফেলে দেয়া হয়।

এতে তার পিছনের অংশ পুড়ে যায়। পরে ভয়ে মাদ্রাসার শিক্ষকরা তার পরিবারকে খবর ও কোন হাসপাতালে না নিয়ে একটি রুমে আটকিয়ে রাখে।

এসময় অসহ্য যন্ত্রনায় ছটফট করে চিৎকার করলেও কেউ এগিয়ে আসেনি। দুইদিন পর অপর এক ছাত্রী তার বাড়িতে খবর দেয়।

এব্যাপারে সাদিয়ার বাবা শরিফুল ইসলাম কান্নাজড়িত কন্ঠে জানান, তার মেয়েকে মেরে ফেলার জন্যই শিক্ষকরা আমাকে খবর কিংবা আমারে মেয়েকে চিকিংসার জন্য হাসপাতালে নেয়নি। তিনি তার অভিভাবকদের সাথে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে সাংবাদিকদের জানান।

মাদ্রাসার সাধারন সম্পাদক আবুল হোসেন জানান, কিভাবে ছাত্রী গরম পানিতে পড়ে গেল তা খতিয়ে দেখব এবং কেন তাকে সাথে সাথে হাসপাতাল ও তার বাবা মাকে খবর দেয়া হয়নি বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে দেখব। আর ছাত্রী চিকিংসাবাবদ যতটাকা খরচ হবে তা আমরা দিব ।