05:43:13 pm
Sunday, June 21

১১৮ বছরে থেমে গেল বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তির জীবন

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির স্বীকৃতি পাওয়া ফ্রান্সের লুসিল র‌্যান্ডন ১১৮ বছর বয়সে মারা গেছেন। র‌্যান্ডন ১৯৪৪ সালে সন্ন্যাসিনী হওয়ার সময় সিস্টার আন্দ্রে ধারণ করেন, তিনি যে নার্সিং হোমে থাকতেন সেখানে মঙ্গলবার ঘুমের মধ্যে মারা যান।

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির স্বীকৃতি পাওয়া ফ্রান্সের লুসিল র‌্যান্ডন ১১৮ বছর বয়সে মারা গেছেন। র‌্যান্ডন ১৯৪৪ সালে সন্ন্যাসিনী হওয়ার সময় সিস্টার আন্দ্রে ধারণ করেন, তিনি যে নার্সিং হোমে থাকতেন সেখানে মঙ্গলবার ঘুমের মধ্যে মারা যান।

‘গভীর দুঃখ হচ্ছে, কিন্তু… প্রিয় ভাইয়ের সঙ্গে মিলিত হওয়ার ইচ্ছা ছিল তার। তার জন্য এটা একটা মুক্তি’- দক্ষিণ ফরাসি শহর টউলনের সেন্ট-ক্যাথরিন-লাবোর নার্সিং হোমের মুখপাত্র ডেভিড তাভেলা বার্তা সংস্থা এএফপিকে এ কথা বলেন। খবর আল জাজিরা।

র‌্যান্ডন ১৯০৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন এবং জেরোন্টোলজি রিসার্চ গ্রুপের (জ্যিআরজি) ওয়ার্ল্ড সুপারসেন্টেনারিয়ান র‌্যাঙ্কিং তালিকা অনুসারে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি ছিলেন।

দীর্ঘদিন ইউরোপের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি হিসাবে স্বীকৃত র‌্যান্ডন গত বছর ১১৯ বছর বয়সে জাপানের কেন তানাকার মৃত্যুর পরে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক হয়েছিলেন। ২০২২ সালের এপ্রিলে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে তার মর্যাদা স্বীকার করে। র‌্যান্ডন যে বছর নিউ ইয়র্কে প্রথম পাতাল রেল চালু হয় সেই বছরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধ তখনও এক দশক বাকি ছিল। ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর আলেসে বসবাসকারী তিন ভাইয়ের মধ্যে একমাত্র মেয়ে হিসেবে তিনি একটি প্রোটেস্ট্যান্ট পরিবারে বেড়ে ওঠেন।

১১৬তম জন্মদিনে একটি সাক্ষাৎকারে তিনি এএফপিকে বলেছিলেন ১৯১৮ সালে যুদ্ধের শেষে তার দুই ভাইয়ের ফিরে আসা তার সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতিগুলোর মধ্যে একটি। ‘এটি বিরল ছিল, পরিবারগুলোতে সাধারণত দুজন জীবিতের পরিবর্তে দুজন মৃত ছিল। তারা দুজনই ফিরে এসেছে’, বলেছিলেন র‌্যান্ডন।