03:49:54 pm
Sunday, June 21

সশরীরে উপস্থিত থেকে বইমেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সশরীরে উপস্থিত থেকে অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০২৩ এর উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সশরীরে উপস্থিত থেকে অমর একুশে গ্রন্থমেলা-২০২৩ এর উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। শনিবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বইমেলার কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।

এ সময় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী পহেলা ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টার দিকে বইমেলার উদ্বোধন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সশরীরে উপস্থিত থেকে বইমেলা উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী মেলা পরিদর্শন করবেন। এরপর সবার জন্য মেলা উন্মুক্ত করে দেয়া হবে।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, মেলার একপ্রান্তে দাঁড়ালে যেন শেষ প্রান্তও দেখা যায় সেভাবেই এবারের মেলা পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। প্রস্তুতি ভালোভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রস্তুতি নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। এখন পর্যন্ত সবকিছু আমাদের পরিকল্পনা মাফিক হচ্ছে। যথা সময়ে মেলা শুরুর জন্য আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। মেলার নিরাপত্তায় সাত সদস্যের আলাদা টাস্কফোর্স থাকবে।

যেসব প্রতিষ্ঠান বই মেলায় অংশগ্রহণ করছে তাদের নীতিমালা মানতে হবে উল্লেখ করে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, কেউ যেন নীতিমালার বাইরে না যেতে পারে এ জন্য টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। টাস্কফোর্স সদস্যদের জন্য মেলা প্রাঙ্গণে একটি অফিসও করা হয়েছে। টাস্কফোর্স নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। টাস্কফোর্সের কারণে কারও মুক্ত চিন্তার কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না।

আদর্শ প্রকাশনীর স্টল না পাওয়ার বিষয়ে কে এম খালিদ বলেন, বইমেলার নিয়মনীতির বাইরে আমরা যেতে পারব না। তারা যদি নিয়মনীতির মানে তাহলে তাদের ব্যাপারে আমাদের যে সিদ্ধান্ত সেটি জানানো হবে। সমাজ, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় পতাকা, জাতির পিতার বিষয়ে কোনো আপস করা যাবে না। গত বছর আদর্শের বইতে আপত্তিকর কিছু বিষয় ছিল। সেসব বিষয়ে তাদের জানানো হয়েছে।

বাংলা একাডেমি সূত্রে জানা যায়, এবারের বইমেলায় ৪৭২টি প্রতিষ্ঠান ও ৭১০টি ইউনিট থাকবে। বাংলা একাডেমিতে ১০৩টি প্রতিষ্ঠান ও ১৪৭টি ইউনিট থাকবে। সর্বমোট ৫৭৫টি প্রতিষ্ঠানের ৮৫৭ টি স্টল এবং ৩৪টি প্যাভিলিয়ন থাকছে। এ ছাড়াও প্রতিবারের মতো ফুডকোর্ট, নামাজের জায়গা ও শৌচাগারের ব্যবস্থা থাকবে।