রাজধানীতে ৩ দিন ব্যাপি ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা শুরু
রাজধানীতে শুরু হয়েছে ৩ দিন ব্যাপি ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা। মেলায় প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সর্বাধুনিক ট্রেন্ড তুলে ধরা হয়েছে। স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্নযাত্রাকে সফল করতে বিভিন্ন খাতে নিজেদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রদর্শন করছে মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।
রাজধানীতে শুরু হয়েছে ৩ দিন ব্যাপি ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা। মেলায় প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সর্বাধুনিক ট্রেন্ড তুলে ধরা হয়েছে। স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্নযাত্রাকে সফল করতে বিভিন্ন খাতে নিজেদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রদর্শন করছে মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।
আইসিটি ইকোসিস্টেম অংশীজনদের অংশগ্রহণে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) বৃহস্পতিবার থেকে তিনদিনের মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এক ভিডিও বার্তায় মেলার উদ্বোধন করেন প্রধাণমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান এ কে এম রহমতুল্লাহ, এমপি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন হুয়াওয়ের ক্যারিয়ার বিজনেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং চীফ অপারেটিং অফিসার ক্লিফ হু।
ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলায় ৭৭টি প্যাভিলিয়ন এবং ৫২টি স্টল রয়েছে। যেখানে বিভিন্ন আইসিটি কোম্পানি, টেলিকম অপারেটর, মোবাইল আর্থিক পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, ইন্টারনেট এবং অবকাঠামো পরিষেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং আরও অনেকে অংশগ্রহণ করেছেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের মর্মার্থ এককথায় বলা যায়, একুশ শতকের সোনার বাংলা। কেউ কেউ একে বলেন, সুখী ও সমৃদ্ধ, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। আর প্রযুক্তি হচ্ছে দেশের সকল মানুষের মৌলিক চাহিদা মেটানোর প্রকৃষ্ট পথ। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন দৃশ্যমান বাস্তবতা। একটি রাষ্ট্রকে তখনই ডিজিটাল বলা যায় যখন সেখানে জীবনের সকল ক্ষেত্রে কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করা যায়। বর্তমানে দেশে স্বার্থক ডিজিটাল কানেক্টিভিটির মাধ্যমে গড়ে উঠছে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ। বাংলাদেশ এই ডিজিটাল রূপান্তরের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
ডাক, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, প্রযুক্তির বিকাশের মাধ্যমে দেশ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত হতে চাই। বাংলাদেশ ডিজিটাল উদ্ভাবনে সক্ষম, এখন আমাদের সকলের দায়িত্ব ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে দেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত করা। কারণ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে আমাদের স্মার্ট মানুষ হতে হবে। এই ডিজিটাল মেলার মাধ্যমে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশের যুগে প্রবেশ করছি।
হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের চীফ অপারেটিং অফিসার ক্লিফ হু বলেন, গত তিন বছরে বাংলাদেশের টেলিকম খাত সফলভাবে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সাফল্য অর্জন করেছে। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের দক্ষিণ এশিয়ার ডিজিটাল হাব হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের আইসিটি পার্টনার হিসেবে হুয়াওয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন অর্জনে অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে এই খাতের সকল পার্টনারদের সাথে একসঙ্গে কাজ করে যাবে।
- Tags:
- ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা
